অনিয়ম-দূর্নীতিঅন্যান্যঅর্থনীতিকৃষি ও শিল্পজাতীয়

ভাসছে ফসল,কাঁদছে কৃষক

ইটনা  সংবাদদাতা: কাঁদছে কৃষক ভাসছে ফসল, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল আর অতিবৃষ্টির কারণে জেলার ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম উপজেলার ৬হাজার ১শত ৮২ হেক্টর জমির পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের আহাজারী ও তাদের ভাষ্যমতে বেসরকারি তথ্য অনুযায়ী এর পরিমান দ্বিগুনের ও বেশি। এ বছরে প্রথম পর্যায়ে শিলাবৃষ্টি হঠাৎই কৃষকগণ বোর কাটার আগাম মৌসুমে ক্ষতির মুখমুখি পড়ে। অতিবৃষ্টির কারণে সেই ক্ষতি থেকে কৃষকগণ কিছুটা পরিত্রান পেলেও আস্তে আস্তে সময়ের সাথে সাথে বৃষ্টি বাড়তে থাকায় অতিবৃষ্টিতে কৃষকের পাকা ও আধা পাকা ধান তলিয়ে যেতে শুরু করে। সাথে সাথে ভারি বর্ষন আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে সুরমা, কুশিয়ারা, ধনু নদীর পানি বেড়ে ফসলী জমিতে উঠতে শুরু করলে কৃষকের চোখের সামনে পানিতে ভাসতে শুরু করেছে কৃষকের সোনার ফসল।

 

ইটনা উপজেলা কৃষি অফিসার বিজয় কুমার হালদার বলেন ৩হাজার ৫২ হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। মিঠামইন উপজেলায় ৯শত ৫০ হেক্টর এবং অষ্টগ্রাম উপজেলায় ২হাজার ১শত ৮০ হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে। ইতিমধ্যে কিশোরগঞ্জ-৪, ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম সংসদ সদস্য এড. ফজলুর রহমান তিনটি উপজেলায় পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের খোজ খবর নিয়েছেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্ছ সহায়তার কথা ব্যক্ত করেছেন।

 

পাশাপাশি ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন সহ তিন উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দিক নির্দেশনা দিয়েছেন মাননীয় সংসদ সদস্য এড. ফজলুর রহমান। সেই দিক নির্দেশনা মোতাবেক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ইটনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন।