অন্যান্যস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে করনীয়

মা হওয়ার অভিজ্ঞতা অসাধারণ। গর্ভাবস্থায় প্রতিটি নারী এক সুন্দর মুহূর্ত কাটান। এ সময় তার নিজের ও সন্তানের যত্ন নেওয়া একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই প্রতিটি মায়ের এই অসাধারণ সময়কালে একটি পুষ্টিকর ডায়েট মেনে চলা উচিত। এটি মা এবং তার শিশু দুইজনের মঙ্গলের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। গর্ভবতী থাকা অবস্থায় নারীদের একজন ডায়েটিশিয়ানের সাথে কথা বলা উচিত। এটি অনাগত শিশুর স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধি প্রচারে সাহায্য করবে।

পুষ্টিবিদ রেণুকা বাচভ, এইচটি লাইফস্টাইলের সাথে এক সাক্ষাৎকারে গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টিকর ডায়েট বজায় রাখার জন্য পাঁচটি প্রয়োজনীয় টিপস পরামর্শ দিয়েছেন। যা মেনে চললে মা ও সন্তান দুইজনই সুস্থ থাকবেন।

পুষ্টিকর খাবার
গর্ভবতী মায়েদের শস্য জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। চর্বিযুক্ত প্রোটিন, যেমন- মাছ, মুরগি, ফল, শাকসবজি এবং দুগ্ধজাত পণ্য খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন। এই খাবারগুলো প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবার সমৃদ্ধ। যা আপনাকে এবং আপনার শিশু উভয়কেই উপকৃত করে।

ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রন গ্রহণ
ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রন জাতীয় খাবার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলিক অ্যাসিড আপনার শিশুর মেরুদÐের স্বাস্থ্য রক্ষায় কাজ করবে। আয়রন ক্লান্তি এবং রক্তাল্পতার বিরুদ্ধে লড়াই করে। শাকসবজি ফলিক অ্যাসিডের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস। অন্যদিকে, মাংস থেকে আপনি আয়রন পাবেন।

পানি
সারাদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। নিজেকে হাইড্রেটেড রাখুন। হাইড্রেটেড থাকলে শিশুর চারপাশে অ্যামনিয়োটিক তরলের সর্বোত্তম স্তর বজায় থাকে। ক্যাফেইন থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। ভেষজ চা পান করুন।

পুষ্টিকর স্ন্যাকস
গর্ভবতী থাকা অবস্থায় শক্তির মাত্রা বাড়াতে পুষ্টিকর স্ন্যাকস বেছে নিন। এটি আপনার ওজনও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করবে। বাদাম, দই, ফল খান। এগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল করতে সহায়তা করে।

খাদ্য নিরাপত্তা
গর্ভবতী থাকা অবস্থায় আধা সিদ্ধ মাংস, অপাস্তুরিত দুগ্ধজাত পণ্য এবং কাঁচা সামুদ্রিক খাবার থেকে দূরে থাকুন। ফল এবং শাকসবজি ভালভাবে ধুয়ে খান। এতে আপনার ও আপনার শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করবে।

এফএনএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *